📍 কিশোরগঞ্জ | লোড হচ্ছে...

বিভাগ: খেলা

মোট খবর: 3 টি
ফিফার বাধা পেরিয়ে আবারও চেনা রূপে বসুন্ধরা কিংস

ফিফার বাধা পেরিয়ে আবারও চেনা রূপে বসুন্ধরা কিংস

ফিফার সাময়িক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়েছে আবাহনী লিমিটেড, বসুন্ধরা কিংস ও ইয়াংমেনস ফকিরেরপুল ক্লাব। বকেয়া মিটিয়ে তারা লাইসেন্সিংয়ের প্রাথমিক বাধা পার করেছে। এটা দেশের ফুটবল অঙ্গনের জন্য বিরাট স্বস্তি। বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী ছাড়া ২০২৬-২৭ মৌসুমের লীগের কথা কল্পনা করাও কঠিন ছিল। ২০০৭ সালে পেশাদার লীগ শুরু হওয়ার পর থেকে এ দুটি ক্লাবই ছয়বার করে শিরোপা ঘরে তুলেছে। যা ফুটবল অঙ্গনে তাদের প্রভাবের বড় প্রমাণ। ​মাঠের বাইরের আলোচনা কাটিয়ে এখন দল গঠনের হিড়িক লেগেছে। মোহামেডান শুরু থেকেই ফুরফুরে মেজাজে দল গুছিয়ে বিদেশি কোচ নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে আবাহনী চমক দেখিয়েছে নাইজেরিয়ার হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ফরোয়ার্ড মাইকেল বাবাতুন্দেকে দলে নিয়ে। ১৩ দলের অংশগ্রহণে আসন্ন লীগের কাগজ-কলমের শক্তি নিয়ে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনই সাতটি দলের মূল শিরোপা দৌড়ে থাকার সম্ভাবনা মৌসুমকে জমজমাট করে তুলবে। ​২০১৮-১৯ মৌসুমে আত্মপ্রকাশের পর থেকে বসুন্ধরা কিংস কেবল একটানা পাঁচটি লীগ ট্রফি জয়ই করেনি, দেশের ফুটবল ব্যবস্থাপনার সংস্কৃতিটাই বদলে দিয়েছে। দেশের ফুটবল ইতিহাসে একটানা এতগুলো শিরোপা জয়ের রেকর্ড আর কারও নেই। নারী দলসহ তাদের ট্রফি কেবিনেটে জমা হয়েছে মোট ২০টি শিরোপা। যা এক অনন্য নজির। পেশাদারিত্ব, দায়বদ্ধতা এবং দারুণ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কারণে দলটি তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। ​সাম্প্রতিক সময়ের নানা পারিপার্শ্বিক সংকটে কিংস কঠিন পথ অতিক্রম করলেও পরিচালনা পর্ষদ দৃঢ় বিশ্বাস ধরে রেখেছিল। সভাপতি মো. ইমরুল হাসানের ব্যবস্থাপনা এবং বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোহবানের অব্যাহত সমর্থনে ক্লাবটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। শুধু ক্লাব পরিচালনা নয়, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্রীড়াকাঠামো তৈরি করে দক্ষিণ এশিয়ায় এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তারা। ​বসুন্ধরা কিংসের নজর এখন আগামী মৌসুমে সবকটি ট্রফি নিজেদের করে রাখা। জাতীয় দলের কিছু খেলোয়াড় বিদায় নিলেও রবসন রোবিনহোর প্রত্যাবর্তন এবং দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞদের নিয়ে ৩৫ সদস্যের দল ক্লাবটিকে বিশাল মানসিক শক্তি জোগাচ্ছে। অভিজ্ঞ স্থানীয় কোচিং প্যানেলের অধীনে নিয়মিত অনুশীলন শুরু হয়ে গেছে। মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের প্রমাণ করে ঐতিহ্য ও সুনামের পতাকাকে আবারও উঁচুতে তুলে ধরতেই প্রস্তুত বসুন্ধরা কিংস।

৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
মেসি বিদায় জানালেন আন্তর্জাতিক ফুটবলকে

মেসি বিদায় জানালেন আন্তর্জাতিক ফুটবলকে

সুদীর্ঘ ২০ বছরের আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টেনে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে মেসি নিজেই বিষয়টি এ নিশ্চিত করেছেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) এক আবেগঘন চিঠিতে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান ৩৯ বছর বয়সী এই যাদুকরি ফুটবল ফরোয়ার্ড। বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর থেকেই মেসির আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে শিরোপা হারায় আর্জেন্টিনা। মেসি জানান, ফাইনালের ঠিক দুদিন পর ২১ জুলাই তিনি বার্তাটি লিখে রেখেছিলেন এবং সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর সেই সিদ্ধান্তে অবিচল থেকেই আজ অবসর ঘোষণা দিলেন। নিজের বিদায়ী বার্তায় ফুটবল জাদুকর লিখেন, "ফাইনালের পর এতগুলো দিন চিন্তা-ভাবনা করার পর, আমি সবাইকে জানাতে চাই যে আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নিচ্ছি। এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া ভেতরে গভীরভাবে খুব কষ্টকর ছিল এবং এখনও কষ্ট দিচ্ছে, তবে আমি বুঝি যে এটিই বিদায় জানানোর সঠিক সময়। আমি শপথ করে বলতে পারি, আমি সবসময় আমার সেরাটা উজাড় করে দিয়েছি, শুধু গত কয়েক বছরে সব শিরোপা জেতার সময় নয়, তার আগেও।" সবসময় আর্জেন্টাইন জার্সির জন্য লড়াই করেছেন জানিয়ে মেসি বিদায়ী বার্তায় আরও লিখেন, "ফুটবলের মাধ্যমে আপনাদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং আর্জেন্টাইন হিসেবে গর্বিত করতে আমি সবসময় এই জার্সির জন্য লড়াই করেছি এবং সর্বস্ব দিয়েছি। এখন আর বেশি সময় বাকি নেই, আর জীবনের বিভিন্ন অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটছে। এটি এমন এক অধ্যায় যা আমাকে ভীষণভাবে কষ্ট দিচ্ছে। আমি জাতীয় দলের অংশ হতে ভালোবাসতাম, ভালোবেসেছি এবং সবসময় বেসে যাব। আমার যা দেওয়ার ছিল তার সবই দিয়ে ফেলেছি, এখন আর দেওয়ার মতো কিছু অবশিষ্ট নেই। তাছাড়া অনেক দুর্দান্ত উদীয়মান তরুণ খেলোয়াড় উঠে আসছে, যাদের এই দলে থাকার পূর্ণ যোগ্যতা রয়েছে। সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে কিংবদন্তি এই ফুটবলার লিখেন, "গত ২০ বছর ধরে যে ভালোবাসা আপনারা আমাকে দিয়েছেন, তার জন্য ধন্যবাদ। মাঠের ভেতর থেকে আপনাদের উল্লাস শোনা আমি ভীষণ মিস করব। এখন থেকে আমি আপনাদের মতোই একজন হয়ে উঠব, বাইরে থেকে সবসময় দলকে সমর্থন করে যাব, ভালো সময়ে তো বটেই, খারাপ সময়ে আরও বেশি করে।" সবশেষে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে মেসি লিখেন, "আমাকে আর্জেন্টাইন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ... ভামোস আর্জেন্টিনা!"

৩১ আগস্ট, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
বাংলাদেশের ৫৪ হকি খেলোয়াড় চীন যাচ্ছেন

বাংলাদেশের ৫৪ হকি খেলোয়াড় চীন যাচ্ছেন

বাংলাদেশের ৫৪ জন হকি খেলোয়াড় এক সঙ্গে অবস্থান করবেন চীনে। এরমধ্যে জাতীয় দলের ১৮ খেলোয়াড় এবং অনূর্ধ্ব-২০ ছেলে ও মেয়ে ৩৬ খেলোয়াড়। তিনটি দলের লক্ষ্য তিন রকম। জাতীয় দল চীনের তানজিং শহরে যাবে এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি নিতে এবং অনূর্ধ্ব-২০ ছেলে ও মেয়েদের দল যাবে জুনিয়ার এশিয়া কাপ খেলতে দেশটির মকিতে। জুনিয়র দুটি দলই চীন চলে যাচ্ছে আজ (২৯ আগস্ট) রাত পৌনে দশটায়। জাতীয় দলের যাওয়ার কথা ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে। টিকিটসহ যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও জাতীয় দল এখনও ভিসা পায়নি। বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স বলেছেন, 'সোমবারের মধ্যে ভিসা হয়ে যাবে।' জাতীয় দল অনুশীলন ও প্রস্তুতি ম্যাচ শেষ করে দেশে ফিরবে ১২ সেপ্টেম্বর। তানজিংয়ে জাতীয় হকি দল কন্ডিশনিং ক্যাম্প ও পাঁচটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এর মধ্যে তিনটি ম্যাচ বাংলাদেশ খেলবে চীন জাতীয় দলের বিপক্ষে। এই তিন ম্যাচ হবে আন্তর্জাতিক মর্যাদা সম্পন্ন। অন্য দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ প্রাদেশিক দলের বিপক্ষে। জাতীয় দলের ১৮ খেলোয়াড়ের সঙ্গে চীন সফরে কোচসহ পাঁচ অফিসিয়াল। জাতীয় দলের নেতৃত্বে দেবেন ফেডারেশনের সহসভাপতি সাজেদ এএ আদেল। চীন যাওয়ার আগে জাতীয় ও অনূর্ধ্ব-২০ হকি দল শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে গতকাল শুক্রবার মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে জাতীয় দল ৪-৩ গোলে হারিয়েছে জুনিয়র দলকে। জাতীয় দলের হ্যাটট্রিক করেছেন আশরাফুল ইসলাম। অন্য গোলটি করেন রকিবুল ইসলাম রকি। জুনিয়র দলের গোলদাতা জনি, তৈয়ব ও আশরাফুল আলম।

২৯ আগস্ট, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →