সত্য ও সাহসের সাথে কিশোরগঞ্জের প্রতিচ্ছবি
সময় লোড হচ্ছে...
কিশোরগঞ্জ, বাংলাদেশ
বর্ষা মৌসুম এলেই কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে পর্যটকদের ঢল নামে। জেলার প্রায় দেড় হাজার বর্গকিলোমিটার হাওরাঞ্চলের থৈ থৈ পানি দেখতে ছুটে আসেন ভ্রমণপিপাসুরা। জেলার নিকলী উপজেলার বেড়িবাঁধ, করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখলা, এবং বাজিতপুর উপজেলার পাটুলী ঘাট থেকেই মূলত শুরু হয় হাওর ভ্রমণ। এসব যায়গা থেকে পর্যটকেরা ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে ঘুরতে যান শতভাগ হাওর অধ্যুষিত উপজেলা ইটনা, মিঠামইন এবং অষ্টগ্রামে। পানির বুক চিরে ওই তিন উপজেলাকে সংযুক্ত করেছে ৩০ কিলোমিটার দৃষ্টিনন্দন অল ওয়েদার সড়ক। যা কিশোরগঞ্জ হাওর পর্যটনের প্রধান আকর্ষণ। এছাড়াও দিগন্ত বিস্তৃত জলরাশিতে নৌকায় ভাসতে ভাসতে পানির মাঝে ভেসে থাকা হাওরের গ্রামগুলো দেখে অভিভূত হন পর্যটকেরা। এছাড়াও জেলার হাওরাঞ্চলে ঐতিহাসিক বেশ কয়েকটি নিদর্শন রয়েছে। নিকলী থেকে বড় নৌকা ভাড়া করে হাওরে ঘুরতে সারাদিনের জন্য মাঝিরা নেন ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। তবে, শুক্রবার এবং শনিবারে এ ভাড়া ৫ থেকে ৬ হাজারে দাঁড়ায়। প্রতিটি নৌকায় সর্বোচ ২৫ জন পর্যটক ঘুরতে পারেন। নিকলী বেড়িবাঁধে দাড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন নৌকার মাঝি হুসাইন। তিনি আরও বলেন, ঘন্টা চুক্তিতেও নৌকা ভাড়া নেওয়া যায়। প্রতি ঘন্টা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় হাওরের জলরাশিতে ঘুরে আনন্দ করা যায়।